কচুয়াকে আধুনিক উপজেলায় রূপান্তরিত চাই : ইঞ্জিনিয়ার মোঃ জসীম উদ্দিন
০৬ আগস্ট, ২০২০ ১২:২১ অপরাহ্ন


  

কচুয়াকে আধুনিক উপজেলায় রূপান্তরিত চাই : ইঞ্জিনিয়ার মোঃ জসীম উদ্দিন

কচুয়াকে একটি আধুনিক উপজেলা রূপান্তরিত করতে চান ইঞ্জিনিয়ার মোঃ জসীম উদ্দিন । সৃষ্টিশীল কল্যানমূলক কাজ সবাই করতে পারে না তন্মধ্যে কেউ না কেউ এ কাজ আমৃত্যু কাজ করার বাসনা নিয়ে এ সংগ্রাম মুখর জীবন উপভোগ করে যায়। মানুষেরর কল্যানের চিন্তায় বিভোর একটি সত্ত্বা প্রতিনিয়ত এভাবেই মানুষের জন্য কিছু করার জন্য ব্যাকুল থাকে। তার নিষ্ঠা ধ্যান ধারণা এর একাগ্রতার ফলে তিনি একসময় সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌছতে পেরেছেন। মানুষের অগাধ ভালবাসা শ্রদ্ধা পেয়েছেন, আর একই সাথে জনপ্রিয়তার উচ্চ শিখরে আহরন করতে পেরেছেন , আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১( কচুয়া) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী জাপান আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো: জসীম উদ্দিন। সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে মোরা পরের তরে, মানব সেবার এই মূল মন্ত্রটি সকলের জীবনে কাম্য হওয়া উচিত। উচিত সকলের জীবনে বাস্তবায়িত হওয়া। কিন্তু তা কি হতে পেরেছে, ক্ষমতা অর্থ লোভ, লালসা, মোহ থেকে কোন কোন মানুষ এসকল জগত মোহের উর্দ্ধে থেকে মানুষের হৃদয় দিয়ে সমাজজীবনে এবং রাজনীতি অঙ্গনে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করে নিয়েছেন। পৃথিবীতে যারা নিজ প্রতিভার সমুজ্বল ঘটিয়ে মানব জাতীর কল্যান সাধন করে জনগনের কাছে একজন মহান ব্যক্তি হিসাবে আস্থা অর্জন করেন মহামানবদের জীবনী পাঠ করলে দেখা যায়, তারা সকলেই ছিলেন সৎ, চরিত্রবান ও মানবদরদী, ক্ষমা,বিনয়, সরলতা, শিষ্টাচার, সাধুতা, সত্যবাদিতা, আত্নসংজম ও সৎ গুণাবলির অধিকারী হয়ে থাকে। তেমনি একজন আদর্শ বান সুন্দর মনের অধিকারী মানুষ ও জনকল্যানে নিবেদিত প্রান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী জাপান আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো: জসীম উদ্দিন। ইঞ্জিনিয়া মোঃ জসিম উদ্দিন শিক্ষা জীবন নিয়ে শুরুতে বলেন, আমি ১৯৭৫ সালে তিনি কচুয়া উপজেলার মধুপুর প্রাইমারি স্কুল থেকে সমাপনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৯৭৬ সালে চশই হাই স্কুলে ভর্তি হন।সেখান থেকে উত্তীর্ণ হয়ে ২নং পাথৈর ইউনিয়নের বারৈায়ারা স্কুলে ভর্তি হন।১৯৭৮ সালে তিনি তৎকালীন বারৈায়ারা জুনিয়ার হাইস্কুল থেকে ৮ম শ্রেণি পাস করে ১৯৭৯ সালে মতলব উপজেলার কাচিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন।১৯৮১ সালে কাচিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে লেটার মার্ক নিয়ে কুমিল্লা বোর্ড থেকে ১ম বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।সেখান থেকে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে ভর্তি হন।১৯৮৩ সালে তিনি ১ম বিভাগে কুমিল্লা বোর্ড থেকে উত্তীর্ণ হন।পরে তিনি তৎকালীন শহীদ সামছুল হক সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তি হন। ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড ঢাকা থেকে ১ম বিভাগে উত্তীর্ণ হন।১৯৮৭ সালে উচ্চতর পড়াশুনার জন্য তিনি টোকিও জাপানের একটি ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন।১৯৯১ সালে তিনি জাপান ইউনিভার্সিটিতে পড়াশুনা শেষ করেন। পরে পড়াশোনা শেষে সেখানে কর্মজীবনের পাশাপাশি যুক্ত হন জাপান আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে। তিনি বলেন, আমি রাজনীতির মানুষ। মাঝে কিছুদিন কর্মে বেশি সময় দিলেও রাজনীতির বাহিরে ছিলাম না, কর্মের পাশাপাশি রাজনীতি করে আসছি । আমার ধারণা ছিল- আগে নিজে সাবলম্বী হতে হবে। আমি দুর্নীতিকে ঘৃণা করি। পরিশ্রম করে সফল হয়েছি। এখন এলাকার মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নের বিষয়ে নিজের আশাবাদের কথা জানিয়ে জাপান আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো: জসীম উদ্দিন রাজনীতি জীবন নিয়ে বলেন, আমি স্কুল জীবন থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, ১৯৮১ সাল থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক। ১৯৮৩ সাল থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত কুমিল্লা শহীদ সামছুল হক ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক। ১৯৮৯ সাল থেকে তিনি জাপান আওয়ামীলীগের সঙ্গে জড়িত হন।২০১৪ সালে সাবেক বানিজ্য মন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক কর্নেল (অবঃ) ফারুক খানের অনুমোদিত আহবায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য। বর্তমানে জাপান আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বরত আছি। এদিকে তিনি চাঁদপুর কচুয়া উপজেলা বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সকল উন্নয়নমুখী কাজের সাথে জড়িত আছেন। সন্ত্রাস,চাঁদাবাজ, দূর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার কন্ঠ প্রচ্ছন্নতার ছোয়ায় যিনি সমাজসেবায় এক উজ্জ্বল তারকা, যিনি এলাকার ছোট বড় আবাল, বৃদ্ধ বণিতার প্রিয় মানুষ যিনি গরিব দুঃখী সহ সমাজের সাধারণ মানুষের সঙ্গী, অসহায় দরিদ্র ও মানুষের সহায়ক তিনি হলেন, ইঞ্জিনিয়ার মোঃ জসিম উদ্দিন । তিনি এমনই একজন মানুষ তাকে সব শ্রেনীর মানুষ ভালবাসেন। ইঞ্জিনিয়ার মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন, আমি এমন রাজনীতি জীবন চাই না আমার দ্বারা কোন মানুষ বিন্দু পরিমাণ হয়রানী বা কষ্ট পাক। মানুষেরর সুখে দুঃখে তাদের সেবা করতে পারলে আমি নিজেকে ভীষণ গর্বিত মনে করেন। আমি সারা জীবন সাধারণ মানুষের সেবা করার জন্য সমাজসেবা করে যাব। আমার কচুয়া বাসী তথা এলাকাবাসীর আমি যেন সুখ দুঃখের অংশীদার হয়ে তাদের সমস্যা সমাধান করতে পারি এই কামনাই আমি করি। তিনি এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এর সাথে জড়িত আছেন। কচুয়ারডাক ”মুক্তকথা” লাইভ আসলে সম্প্রতি কচুয়ায় আলোচনার নতুন জন্ম নেয় কে এই জসিম উদ্দিন? পাঠকগন কচুয়ারডাকে জানতে ছেয়ে লিখে পাঠালে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে কচুয়ারডাক একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। বঙ্গবন্ধুর সাথে সরাসরি ১৯৭৩সালের কুমিল্লা দাউদকান্দি ঈদগাঁমাঠের জনসভার করমর্দন ও হাতের ছোয়া নিয়েই কচুয়াকে একটি আধুনিক উপজেলা রূপান্তরিত করতে স্বপ্ন দেখছি বলে নিজের অভিব্যাক্তি প্রকাশ করেন ইঞ্জিনিয়ার মোঃ জসীম উদ্দিন- তিনি বলেন আমি সেই ছেলেটি আজকের (ইঞ্জিনিয়ার মো: জসীম উদ্দিন প্রধান ) দাউদকান্দি ঈদগাঁমাঠে বঙ্গবন্ধুর জনসভায় দর্শকদের পদদুলিতে পিষ্ট হয়েছিলাম। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আবেগময়ী বক্তব্য কথা উপদেশের দুর্লভ ভিডিও গুলি দেখলে ১৯৭৩ সালের কুমিল্লা দাউদকান্দি ঈদগাঁমাঠের জনসভার কথা মনে পড়ে যায় । সেই জনসভায় আমিও আমার দাদা মরহুম মুক্তিযোদ্ধা মো: আলী মিয়া প্রধান (সাবেক মেম্বার ) এর সাথে গিয়েছিলাম কিন্তু সেখানে ঘটে যায় এক মর্মান্তিক ও অবিস্মরণীয় ঘটনা ।সেদিন ছিল ৫ ফেব্রুয়ারি ৭৩ইং । বঙ্গবন্ধু হেলীক্যাপটারে করে সফর সংগীদের নিয়ে যথাসময়ে আসলেন জনসভায় । সেখানে ছিল মানুষের ঢল । বঙ্গবন্ধু কে এক নজর দেখার জন্য জনস্রোতের পিছনের মানুষ সামনে আসার জন্য ধাক্কা ধাক্কি করে সামনে এগোচ্ছিল । আমি আমার দাদার বাম হাতে ধরেছিলাম , ধাক্কা ধাক্কির এক পর্যায়ে আমি দাদার হাত থেকে ছিটকে পড়ে যাই । মাটিতে লুটিয়ে পড়ি ।দাদার কাছে শুনেছি আমার উপর দিয়ে অনেক মানুষ হেটে গিয়েছিল । আমি তাৎক্ষনিকভাবে অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলাম , আঁশে পাশের মানুষ বলাবলি শুরু করে একটি ছেলে মারা গিয়েছে । এই দু:সংবাদটি নিমিষে পৌছে যায় জনসভার মন্চে প্রধান অতিথির আসনে বসা বঙ্গবন্ধুর কানে ,বঙ্গবন্ধু সভার উপস্হাপককে হুকুম দিলেন ছেলেটাকে মন্চে নিয়ে আসতে ।যথারীতি মন্চে নিয়ে যাওয়া হল , বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত ডাক্তার চেষ্টা করে ও ব্যর্থ হলেন জ্ঞান ফিরাতে, অবশেষে বঙ্গবন্ধু নিজে জড়িয়ে ধরে কোলে নিয়ে কানে আওয়াজ করলেন কি হয়েছে বাবা , আল্লাহর হুকুমে সেই আওয়াজেই আমার জ্ঞান ফিরে এসেছিল । আমি জ্ঞান ফিরে দেখি বঙ্গবন্ধুর সামনে আমি ! আমি মনে করি যেই বজ্রকন্ঠে একটি দেশ স্বাধীন হয়েছিল , সেই কন্ঠের আওয়াজে ঐলোকিকভাবে আমার জীবন ও ফিরে পেয়েছি । তাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে নিয়ে বেচে আছি , সারাজীবন বেঁচে থাকতে চাই । এমন একজন মহান জনদরদী নেতাকে ৭৫ এর ১৫ আগষ্টে কিভাবে খুনীরা স্বপরিবারে হত্যা করল ভাবতে অনেক কষ্ট হয় ।১৫ই আগষ্টে বঙ্গবন্ধুসহ সকল শহীদের রুহের মাগফেরাত কামনা করছি । আমিন

নিউজ রুম ০৭-০৭-২০২০ ০৫:০২ অপরাহ্ন প্রকাশিত হয়েছে এবং 99 বার দেখা হয়েছে।

পাঠকের ফেসবুক মন্তব্যঃ

Loading...
  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ প্রকাশিত